মহান মে দিবস পালিত
মহান মে দিবস’২৩ উপলক্ষে বিপ্লবী শ্রমিক আন্দোলন ও বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ঢাকার কামরাঙ্গী চরে পথসভা ও মিছিলের আয়োজন করা হয়। পথসভাটি বিকাল ৩:৩০-এ ঝাউলাহাটি চৌরাস্তায় অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে মিছিল করে নয়াগাঁও মোড় প্রদক্ষিণ করে পথ সভা করা হয়। মিছিলটি মার্কস-এঙ্গেলস-লেনিন-স্ট্যালিন-মাও-এর ছবি সংবলিত ব্যানার ও লাল পতাকায় সজ্জিত ছিল। পথসভায় বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী শ্রমিক আন্দোলনের আহ্বায়ক কমরেড বিপ্লব ভট্টাচার্য, সহ আহবায়ক কমরেড রাজ্জাক, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কমরেড তাওফিকা প্রিয়া এবং নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার সভাপতি জাফর হোসেন। বক্তাগণ বলেন, সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বব্যবস্থায় শ্রমিক-কৃষক-নিপীড়িত জাতি ও জনগণের মুক্তি আসবে না। একমাত্র মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদের আদর্শে সজ্জিত সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদী ব্যবস্থাই পারে আপামর জনগণের মুক্তি দিতে। এর পর মিছিল করে ঝাউলাহাটি চৌ-রাস্তায় মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার কর্মসূচিতে যোগ দেয়।
ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার পথসভা শুরু হয় বিকাল ৪:৩০ মিনিটে। পথসভাটি পরিচালনা করেন নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার সহ-সভাপতি বিপ্লব ভট্টাচার্য্য এবং সভাপতিত্ব করেন ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার সমন্বয়ক ও নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার সভাপতি জাফর হোসেন। পথসভা শেষে ঝাউলাহাটি চৌ-রাস্তা থেকে মিছিল নিয়ে কোম্পানিঘাট, সেকশন বেড়িবাঁধ প্রদক্ষিণ করে এবং দুটো পথসভা করে। পথসভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের সভাপতি মাসুদ খান, বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সংগঠক বেলাল চৌধুরী, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সভাপতি শহীদুল ইসলাম মুকুল, গণমুক্তি ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংগঠক রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ(মাহবুব) এর কেন্দ্রীয় সংগঠক মহিনউদ্দিন চৌধুরী লিটন। কিছু সাধারণ জনগণ পথসভায় ও মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। পথসভায় বাম মোর্চার নেতৃবৃন্দগণ এই ফ্যাসিবাদী হাসিনা-আওয়ামী সরকারকে উচ্ছেদ করে শ্রমিক-কৃষক-মেহনতি জনগণের রাষ্ট্র, সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন জোরদার করার জন্য জনগণকে আহ্বান করেন। পথসভায় বাম মোর্চার সদস্যরা ছাড়াও কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
মহান মে দিবস পালিত
মহান মে দিবস’২৩ উপলক্ষে বিপ্লবী শ্রমিক আন্দোলন ও বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ঢাকার কামরাঙ্গী চরে পথসভা ও মিছিলের আয়োজন করা হয়। পথসভাটি বিকাল ৩:৩০-এ ঝাউলাহাটি চৌরাস্তায় অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে মিছিল করে নয়াগাঁও মোড় প্রদক্ষিণ করে পথ সভা করা হয়। মিছিলটি মার্কস-এঙ্গেলস-লেনিন-স্ট্যালিন-মাও-এর ছবি সংবলিত ব্যানার ও লাল পতাকায় সজ্জিত ছিল। পথসভায় বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী শ্রমিক আন্দোলনের আহ্বায়ক কমরেড বিপ্লব ভট্টাচার্য, সহ আহবায়ক কমরেড রাজ্জাক, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কমরেড তাওফিকা প্রিয়া এবং নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার সভাপতি জাফর হোসেন। বক্তাগণ বলেন, সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বব্যবস্থায় শ্রমিক-কৃষক-নিপীড়িত জাতি ও জনগণের মুক্তি আসবে না। একমাত্র মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদের আদর্শে সজ্জিত সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদী ব্যবস্থাই পারে আপামর জনগণের মুক্তি দিতে। এর পর মিছিল করে ঝাউলাহাটি চৌ-রাস্তায় মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার কর্মসূচিতে যোগ দেয়।
ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার পথসভা শুরু হয় বিকাল ৪:৩০ মিনিটে। পথসভাটি পরিচালনা করেন নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার সহ-সভাপতি বিপ্লব ভট্টাচার্য্য এবং সভাপতিত্ব করেন ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার সমন্বয়ক ও নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার সভাপতি জাফর হোসেন। পথসভা শেষে ঝাউলাহাটি চৌ-রাস্তা থেকে মিছিল নিয়ে কোম্পানিঘাট, সেকশন বেড়িবাঁধ প্রদক্ষিণ করে এবং দুটো পথসভা করে। পথসভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের সভাপতি মাসুদ খান, বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সংগঠক বেলাল চৌধুরী, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সভাপতি শহীদুল ইসলাম মুকুল, গণমুক্তি ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংগঠক রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ(মাহবুব) এর কেন্দ্রীয় সংগঠক মহিনউদ্দিন চৌধুরী লিটন। কিছু সাধারণ জনগণ পথসভায় ও মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। পথসভায় বাম মোর্চার নেতৃবৃন্দগণ এই ফ্যাসিবাদী হাসিনা-আওয়ামী সরকারকে উচ্ছেদ করে শ্রমিক-কৃষক-মেহনতি জনগণের রাষ্ট্র, সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন জোরদার করার জন্য জনগণকে আহ্বান করেন। পথসভায় বাম মোর্চার সদস্যরা ছাড়াও কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
আরও খবর
- শনি
- রোব
- সোম
- মঙ্গল
- বুধ
- বৃহ
- শুক্র
